Home | আন্তর্জাতিক | প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে প্রিয়াংকা চোপড়া

প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে প্রিয়াংকা চোপড়া

মিয়ানমার থেকে প্রাণ বাঁচাতে ছুটে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদেরকে দেখতে বাংলাদেশ সফররত প্রিয়াংকা চোপড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন।

বাংলাদেশ সফরের চতুর্থ দিনে গণভবনে সরকারপ্রধানের সঙ্গে দেখা করেন জাতিসংঘের সংস্থা ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত।

এ সময় রোহিঙ্গা শিশুদের আশ্রয় ও শিক্ষার সুযোগ দেয়ায় ইউনিসেফের হয়ে বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান অভিনেত্রী

গত ২১ মে কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ার শামলাপুর মনখালী ব্রিজের পাশে অস্থায়ী রোহিঙ্গা শিবিরে গিয়ে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান ইউনিসেফ দূত।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নিজ ফেসবুক পেজে লাইভে আসেন প্রিয়াংকা। এ সময় রোহিঙ্গা শিশুদের করুণ দশার বর্ণনা দেন তিনি।
পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোহিঙ্গাদের নিয়ে করা ভক্তদের প্রশ্নের জবাবও দেন ভারতীয় চলচ্চিত্র নায়িকা।

এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে প্রিয়াংকা বলেন, ‘শিশুদের আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম তোমাদের স্বপ্ন কী? তাদের সবাই বলে ওঠে, ‘আমি স্কুলে যেতে চাই।’ এ ছাড়া একজন বলে, সে সাংবাদিক হতে চায়। এই শিশুরা তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কিছুই জানে না। তবে তারা এখন মৌলিক শিক্ষা পাচ্ছে। শিশুদের বার্মিজ, ইংলিশ ও গণিত শেখানো হচ্ছে।

প্রিয়াংকা বলেন, ‘শিশুদের ধর্ম কী, বাবা-মা কে, এদের পরিচয় কী- এগুলো বড় বিষয় নয়। এখন এদের দরকার সবার সহানুভূতি।’

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য সোচ্চার হতে জাতিসংঘের হয়ে বিশ্ববাসীর প্রতি আবেদন রাখেন প্রিয়াংকা। বলেন, ‘বিশ্বের কোনো শিশুরই যেন রোহিঙ্গা শিশুদের মতো অবস্থা না হয়।’

প্রিয়াংকাকে স্বাগত ও ধন্যবাদ জানিয়ে ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা আশ্রয়প্রার্থীর মানবেতর জীবনযাপন এবং বাংলাদেশের মাটিতে প্রতিদিন গড়ে ৬০ রোহিঙ্গা শিশুর জন্মের মতো জটিল সংকট নিরসনে বিশ্ববাসীর জোরাল অবস্থান চান প্রধানমন্ত্রী।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বসবাসকারী রোহিঙ্গা মুসলিমদেরকে নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না মিয়ানমার। আশির দশক থেকেই সেনা অভিযানের মুখে বাংলাদেশের দিকে ছুটে এসেছে রোহিঙ্গারা। তবে গত আগস্টের সেনা অভিযানের মুখে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে গোটা বিশ্বই উদ্বেগ জানিয়েছে। জাতিসংঘও তার ব্যতিক্রম নয়। এই জনগোষ্ঠীর সহায়তায় এগিয়ে এসেছে সবাই। সেই সঙ্গে তাদেরকে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত আছে।

তবে মিয়ানমান নিজ দেশের মানুষদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে টালবাহানা করছে। বাংলাদেশের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক এবং একটি চুক্তি করার পরও প্রত্যাবাসন শুরু করছে না তারা।

About admin

Check Also

আমার নাম মানু নয়, ‘তোমার উচিত আমাকে মিস্টার প্রেসিডেন্ট বলে ডাকা’

সম্প্রতি ৪০ বছর বয়সী ফরাসী প্রেসিডেন্ট একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, তার ডাক …