Home | সংবাদ | জেলে থাকতে থাকতে কোড মুখস্ত: আব্বাস

জেলে থাকতে থাকতে কোড মুখস্ত: আব্বাস

কোনো বন্দিকে বাইরে কোথাও চিকিৎসা করা যাবে না জেলকোডে এমন কিছু নেই বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেছেন, জেলে থাকতে থাকতে তার জেলকোড মুখস্থ হয়ে গেছে।
বুধবার বিকালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক লেবার পার্টির আয়োজিত ইফতার ও খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা জেল কোড অনুযায়ী হবে- সরকারের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে বক্তব্য দেন মির্জা আব্বাস।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘জেলে থাকতে থাকতে আমাদের জেলকোড মুখস্থ হয়ে গেছে। জেল কোডে কোথাও বলা নেই বাইরে কোথাও তাকে চিকিৎসা করানো যাবে না।’ এ সময় তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের একটি বক্তব্যের উদ্ধৃতি দেন। মির্জা আব্বাস বলেন, ‘কিছুদিন আগে ওবায়দুল কাদের আমাদের চেয়ারপারসনের স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে বলতে গিয়ে বলেছিলেন হায়াত মউতের মালিক আল্লাহ। তার (খালেদা) তো বয়সও হয়েছে।’
কাদেরের এই বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এখনো তার (খালেদা) চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। তিনি খুব অসুস্থ। তাকে পিজি হাসপাতালে আনার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু তিনি তো সেখানে উপযুক্ত চিকিৎসা পাবেন না। কোথায় যেন ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সঙ্গে এখন যোগসূত্র পাচ্ছি।’

সরকারের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘যদি বেগম খালেদা জিয়ার কোনো ক্ষতি হয়, তা হলে আপনাদের জবাব দিতে হবে।’লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। উৎস- ঢাকাটাইমস/১৩জুন
নিবন্ধিত না হওয়ার সংবাদে ইসিকে গণসংহতির চিঠি
নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল হিসেবে অনুমোদন না দেয়া সংক্রান্ত সংবাদে উদ্বেগ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি দিয়েছে বামমোর্চার অন্যতম শরিক দল গণসংহতি আন্দোলন।

আজ সোমবার সকালে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেলের নেতৃত্বে সংগঠনের একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে চিঠিটি জমা দেয়।
চিঠিতে বলা হয়, ‘ইতিমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্রে আমরা দেখতে পেলাম নতুন আবেদন করা দলগুলোর অধিকাংশই শর্ত পূরণ করেনি বলে নির্বাচন কমিশন এর বরাতে বলা হয়েছে এবং গণসংহতি আন্দোলনও তার অন্তর্ভুক্ত। এ ধরনের খবরে আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে গণসংহতি আন্দোলন নির্বাচন কমিশনের সকল শর্ত পূরণ সাপেক্ষেই নিবন্ধনের আবেদন করেছে।’

গণসংহতি আন্দোলন ২০০২ সালে তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই একটি রাজনৈতিক সংগঠন আকারে নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণে গণসংহতি আন্দোলনের সক্রিয় ভূমিকা রাজনৈতিক পরিচিত মহলে জ্ঞাত ও পরিচিত। কেবল সক্রিয়তার বিবেচনাতেই নয়, সাংগঠনিক বিস্তারেও নির্বাচন কমিশনের সকল শর্ত সংগঠন পূরণ করেছে। কাজেই রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিদার বলে আমরা নিজেদের মনে করছি।’
এর আগে সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বিধি মোতাবেক সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে গণসংহতি আন্দোলন রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধনের আবেদন করেছিল। পরে চলতি বছরের ৮ এপ্রিল পত্র মারফত নির্বাচন কমিশন তার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী যে ঘাটতি বা সম্পূরক শর্তাদি পালনের জন্য বলে, সেটিও যথাযথভাবে পূরণ করা হয়।

তার পরও গণসংহতি আন্দোলন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল হিসেবে অনুমোদন না পাওয়ার সংবাদে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় চিঠিতে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন সংঠনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূঈয়া, মনির উদ্দিন পাপ্পু, জুলহাসনাইন বাবু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দীপক রায় প্রমুখ।
খবরটি শেয়ার করুন

About admin

Check Also

দেশে মোট বিক্রিত ওষুধের অর্ধেক গ্যাসের

নগর সভ্যতা পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের জীবন যাত্রার মানেরও পরিবর্তন হচ্ছে। দিনে দিনে মানুষ যান্ত্রিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *