Breaking News
Home | সংবাদ | ‘আমাদের বেতনও নেই, ঈদও নেই’

‘আমাদের বেতনও নেই, ঈদও নেই’

আর মাত্র একদিন। তারপরই পবিত্র ঈদুল ফিতর। এখনও এমপিওভুক্তিকরণের সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না পাওয়ায় রাজপথে ঈদ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এমন ঘোষণা দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ ড. বিনয় ভুষণ রায়। এ সময় দাবি আদায়ে তারা বিক্ষোভ করতে থাকেন।

এমপিওভুক্তির দাবিতে বিভিন্ন জেলা থেকে আগাত শিক্ষক-কর্মচারীরা গত পাঁচ দিন ধরে আন্দোলন করে যাচ্ছেন। আন্দোলনকারীদের বুকের মধ্যে লাগানো ফেস্টুনে লেখা ‘আমাদের বেতনও নেই তাই ঈদও নেই, নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কাঁদে রাজপথে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করছেন। এমপিওভুক্ত ছাড়া তারা রাজপথ ছাড়বে না। পুরুষ শিক্ষকদের সঙ্গে নারী শিক্ষকরাও এ আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন।
বিনয় ভুষণ রায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী নতুন করে এমপিভুক্তিকরণের ঘোষণা দিলেও এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। রোজার মধ্যে রাজপথে দাঁড়িয়ে শিক্ষকরা গত ৫দিন ধরে আন্দোলন করে গেলেও কেউ মুখ তুলে দেখছে না। তাই প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা ঢাকায় এসে আন্দোলনে যুক্ত হচ্ছেন।

তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতি আমাদের আস্থা নেই। কারণ বাজেটে কি পরিমাণে বরাদ্দ রাখা হয়েছে তা আমাদের জানা নেই। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে তার বাসভবনে দেখা করতে গেলেও এ বিষয়ে তিনি কিছুই বলেননি। তাই প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে আমাদের সুনির্দিষ্টভাবে আশ্বাস্ত করলে আমরা ঘরে ফিরে যাবো।
উল্লেখ্য, গত রোববার থেকে প্রেস ক্লাবের সামনে নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। শুরু থেকেই পুলিশ তাদের বাধা সৃষ্টি করায় প্রায় সহস্রাধিক শিক্ষক-কর্মচারীরা বাধ্য হয়ে প্রেসক্লাব মূল সড়কের বিপরীত পাশে অবস্থান নিয়েছেন।

About admin

Check Also

ধর্ষণের অভিযোগে চাকুরিচ্যুত, ফের একই স্কুলে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ

বরগুনা সদর উপজেলার গর্জনবুনিয়া স্কুল এন্ড কলেজে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে চাকুরিচ্যুত শিক্ষক আবুল বাশারকে পুনরায় একই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। শনিবার দুপুরে বরগুনা প্রেসক্লাব চত্বরে এই নিয়োগ বাতিলের দাবিতে কর্মসূচি পালন করে বিদ্যালয়ের বর্তমান এবং সাবেক শিক্ষার্থীরা।  শিক্ষার্থীরা জানান, বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *