Breaking News
Home | সংবাদ | ‘কিছু লোক ছেলের আশেপাশে ঘুরঘুর আর ফলো করছিল’

‘কিছু লোক ছেলের আশেপাশে ঘুরঘুর আর ফলো করছিল’

কোটা আন্দোলনের নেতা তারেক রহমানের মা শাহানা বেগম ও বাবা আবদুল লতিফ। ছবি: সংগৃহীত
গত শনিবার রাতে সাদা পোশাকে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি অনুসরণ করার পর থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা তারেক রহমানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন তার পরিবার।

তারেকের মা শাহানা বেগম বলেন, শনিবার রাত ৮ টার দিকে আমার মেয়ের সঙ্গে তারেকের এক বন্ধুর কথা হয়। তিনি জানান, বিকালে তারেক বন্ধুদের বলেছেন, কিছু লোক তার আশেপাশে ঘুরঘুর করছে। তাকে ফলো করছে। এ কথা ফোনে তাকে জানানোর পরপরই তারেকের ফোন বন্ধ হয়ে যায়।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে (ক্র্যাব) এক সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়ে তিনি এ কথা জানান।
শাহানা বেগম জানান, ছেলের খোঁজে গত দুদিন ঢাকার বিভিন্ন থানায় ঘুরেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

তিনি আরও জানান, গতকাল রাতে ছেলের সন্ধান চেয়ে মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান। কিন্তু তারেকের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাস্থল ওই থানাধীন না হওয়ায় পরে তারা রাত সোয়া ১২টার দিকে শাহবাগ থানায় যান।
এরপর পুলিশ জিডি না নিয়ে এক দিন অপেক্ষা করতে বলে তারেকের নাম-ঠিকানা লিখে রাখে জানিয়ে তিনি বলেন, আজ আবারও শাহবাগ থানায় যাব।
ছেলের সন্ধান দাবি করে শাহানা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলের সন্ধান চাই। একটাই চাওয়া, ছেলেটা যেন সুস্থভাবে আমাদের কাছে ফিরে আসে। তাকে বের করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ করছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তারেকের বাবা ও বগুড়ার মুদি দোকানি আব্দুল লতিফও। তিনি জানান, তারেক ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে বিবিএ ও এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। এরপর ঢাকায় এসে বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ফার্মগেটে কনফিডেন্স নামের একটি কোচিং সেন্টারে পড়তেন তিনি। শনিবার রাত থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
আবদুল লতিফ জানান, তার ছেলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ঢাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হলে তাকে একবার পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। তবে কোনো মামলা ছাড়াই ছেড়ে দেয়া হয়।

তারেকের বাবা আরও জানান, তারেক মধ্য বাড্ডায় বোনের বাসায় থেকে পড়াশোনা করতেন। কিন্তু সেখানে পুলিশ তার খোঁজখবর শুরু করেল তিনি বাসা ছেড়ে মেসে ওঠেন।
একমাত্র ছেলেকে কোটা আন্দোলনে যোগ দিতে বারণ করেছিলেন জানিয়ে আবদুল লতিফ বলেন, আমি তাকে মানা করে বলেছিলাম, তুমি তো এখন ছাত্র নও, তুমি মিটিং মিছিলে যেও না। সে আমাকে বলেছে, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে থাকবে সে। কিন্তু এখন দেখি সেও নিখোঁজ।
ছেলের কথা বলার এক পর্যায়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন বাবা আবদুল লতিফ। তারেককে উদ্ধার করতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, আমার একমাত্র ছেলেকে ফেরত চাই। পুলিশ নিয়ে থাকলেও তার প্রতি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

About admin

Check Also

নববধূ পার্লারে, মাংসের জন্য ভাঙচুরে ব্যস্ত বরপক্ষ

কথা ছিল বরযাত্রায় আসবেন ৩০০ জন। কথা থাকলেও তা মোটেই মানেন নি বরের পরিবার। পাঁচ শতাধিক লোক নিয়ে বিয়ে করতে যান কক্সবাজার সদর সদরের খুরুস্কুল পেশকার পাড়ার আবদু শুক্কুরের ছেলে আলমগীর হোসেন। কনে পার্শ্ববর্তী চৌফলদন্ডী উত্তর পাড়ার প্রবাসী আমির হামজার মেয়ে উম্মে সাদিয়া। বরপক্ষে ছিলেন ৫০০ লোক, সাথে কনে পক্ষের অতিথিও কম নয়! আর এতেই বাঁধে বিপত্তি। বরপক্ষকে খাবার পরিবেশনের সময় মাংসে দ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *