Home | বিজ্ঞান | মনোযোগ ধরে রাখার কৌশল

মনোযোগ ধরে রাখার কৌশল

ছোটবেলা থেকে মনোযোগ দিয়ে পিতামাতার কথা শোনা থেকে শুরু করে গুরুজন, লঘুজন কিংবা বন্ধু-বান্ধবের কথায় মনোযোগ দেয়া বাধ্যতামূলক প্রায়। হয়তো কখনো পেরেছেন, কখনো আবার ব্যর্থ হয়েছেন। আসলেই এই মনোযোগ কি দেয়ার মতো কিছু?

মনোযোগ আসলে কী?

এই লেখাটা পড়ার সময় আপনার চারিদিকে অনেক কিছু ঘটছে। যেমন ধরুন, ছোটখাটো বা মাঝারি বা বিকট শব্দ; নানা ধরনের অনুভূতি, যেমন- অভিকর্ষের প্রভাব, নিউটনের তৃতীয় সূত্র মোতাবেক আপনার বিপরীত দিকে মাটির বল প্রয়োগ, জানালার পাশের রাস্তাটা দিয়ে ছুটে চলেছে গাড়ি, বা মনে পড়ছে কিছুক্ষণ আগে প্রিয় বন্ধুর সাথে কথা বলার মুহূর্ত। তারপরও আপনি লেখাটি পড়তে পারছেন, বুঝতে পারছেন। কী অদ্ভুত না!

আমরা এক বিশাল তথ্যভান্ডারের ভেতরে বাস করি। এত এত তথ্য চারদিকে যে, সবকিছু একসাথে নিতে গেলে কম্পিউটার হার্ডডিস্কের মতো আমাদের ব্রেইন ক্র্যাশ করবে। এই বিরাট তথ্যভান্ডার থেকে দরকারি তথ্যকে গ্রহণ করা, মেমোরিতে স্টোর করা এবং অন্যান্য কাজে লাগানোর প্রক্রিয়াই হলো মনোযোগ। এই মনোযোগ আপনি নিজের ইচ্ছায় যেমন দিতে পারেন, আবার আপনার অজান্তেও দিয়ে ফেলেন অনেক ক্ষেত্রেই।

স্বেচ্ছায় এবং অজান্তেই মনোযোগ দেয়া

স্বেচ্ছায় মনোযোগ, যেমন এখন দিচ্ছেন। আপনি জানেন আপনি পড়তে চান, জানতে চান এবং সেই কারণেই সবকিছুতে কান না দিয়ে লেখাটা পড়াতেই মন দিচ্ছেন। এক্ষেত্রে সুফলও বেশি থাকে।

ধরুন, আপনি সাইকেল চালানো শিখতে চান। এক্ষেত্রে আপনাকে স্বেচ্ছায় মনোযোগ দিতে হবে প্রতিটা মুহূর্ত। যখন আপনি শিখে যাবেন, তখন কিন্তু কীভাবে চালাচ্ছেন, সেদিকে আর মনোযোগ দেবেন না। কারণ সেটা আপনার ভেতর অটোম্যাটিক হয়ে গেছে। মনোযোগ দিচ্ছেন ঠিকই কিন্তু অজান্তে।

মনোযোগ আসলে কীভাবে দিই?

মনোযোগ আসলে আমরা কীভাবে দিই, তা জানতে হলে কিছু থিওরি জানতে হবে। বড়সড় হলেও থিওরিগুলো কঠিন নয়। এক ধরনের থিওরি হলো বোতল-নেক থিওরি, আরেকটা হলো ক্যাপাসিটি থিওরি। আপাতত বোতল-নেক থিওরির উপর আলোচনায় যাওয়া যাক।

বোতল-নেক থিওরি

বোতলের নেক দেখেছেন নিশ্চয়ই? কোনোটা বেশ সরু, কোনোটা নয়। সরুটায় আবার একসাথে অনেক কিছু ঢোকাতে পারবেন না। এই থিওরি বলে আমাদের মনোযোগও ঠিক এমনই।

বোতলের সরু গলার ভেতর দিয়ে যেমন সব কিছু যেতে পারে না, বোতল-নেক থিওরি বলে আমাদের মনোযোগ ঠিক এমন; Source: pinterest

ব্রডবেন্টের ফিল্টার মডেল

১৯৫৭সালে ব্রডবেন্ট নামক একজন বিজ্ঞানী এ থিওরি দেন। তার মতে আমরা আশেপাশের তথ্যগুলোকে ফিল্টার করি, অর্থাৎ প্রয়োজনীয় তথ্য ব্রেইনে প্রবেশ করে এবং বাকিগুলো ফিল্টারের কারণে প্রবেশ করতে পারে না। তিনি এই বিষয়টা একটা মেকানিক্যাল মডেল দিয়ে ব্যাখ্যা করেন।

ব্রডবেন্টের মেকানিক্যাল মডেলে ব্যবহৃত Y-shaped টিউব; source: neuravinci

মডেলে একটা Y শেইপের টিউব এবং কিছু বল নেয়া হয়। টিউবের নিচের দিকটা এমন যে একবারে একটার বেশি বল এর ভেতরে ঢুকতে পারবে না। কিন্তু Y এর উপরের শাখা দুটো বেশ চওড়া, অনেকগুলা বল একসাথে ঢুকতে পারবে। Y এর উপরের শাখা দুটো এবং নিচের সরু নলের মাঝে একটা দরজার মতো তৈরি করা রয়েছে যেটি পেন্ডুলামের মতো দুইদিকে নড়তে পারে। এই দরজা যেকোনো একটা শাখা দিয়ে বল প্রবেশের সুযোগ দেয়।

ব্রডবেন্ট Y এর শাখা দুটিকে আমাদের দুইটি কান কল্পনা করেছেন, নিচের সরু অংশকে মস্তিস্কের মনোযোগের অংশ এবং বলগুলোকে সংখ্যা। ধরুন, একটা হেডফোন দিয়ে একইসাথে আপনার বাম কানে ১, ৪, ৭ সংখ্যগুলো শোনানো হলো এবং ডান কানে ৩, ২, ৫ শোনানো হলো। তাহলে সংখ্যগুলো আপনার কানে একসাথে প্রবেশ করলেও মস্তিস্কে যেতে পারবে না ঐ দরজাটার জন্য। প্রথমে যেকোনো এক কানের সংখ্যাগুলো প্রবেশ করতে পারবে, তারপর অন্য কানেরগুলো।

এখানে আরো কিছু বিষয় রয়েছে। সময়ের সাথে সাথে পারফরম্যান্স খারাপ হতে থাকবে। এক কানে সংখ্যা প্রবেশ করতে করতে হয়তো পরেরটা ভুলে যাবেন বা একই কানে শেষে প্রবেশ করা  সংখ্যাটা ভুলে গেলেন। যখন আপনি সবকিছু একইসাথে মনে রাখতে যাবেন মনোযোগ দিয়ে, তখন আসলে কোনোটাই মনে রাখতে পারবেন না সঠিকভাবে। এটাই আমাদের সীমাবদ্ধতা।

ট্রেইসম্যানের অ্যাটেনুয়েশন মডেল

ধরুন আপনার ক্লাস টিচার আনস্ট্রাকচারড কিছু বাক্যের উপর একটা লেকচার দিচ্ছেন এবং আপনি সব মনে রাখার চেষ্টাও করছেন। আপনি ঠিক করলেন, টিচারের কথাগুলো শুনে বিড়বিড় করে মনে রাখার চেষ্টা করবেন। টিচার যথারীতি ক্লাস করিয়ে চলে গেলেন। আপনার বন্ধু জিজ্ঞেস করলো তিনি কী পড়িয়েছেন।

ধরুন টিচার পড়িয়েছেন:

1. I SAW THE GIRL/ song was WISHING…
…me that bird/ JUMPING in the street…

2. …SITTING AT A MAHOGONY/ three POSSIBILITIES…
…let us look at these/ TABLE with her head…

ট্রেইস্ম্যানের অ্যাটেনুয়েশন মডেল; Source: detsndt.ac.in

আপনি বলার সময় শুধু ক্যাপিটাল লেটারে লেখা শব্দগুলোই মনে রেখে বলতে পারবেন। যদি আপনি ব্যতিক্রমী না হয়ে থাকেন, তাহলে এটাই হবার কথা, কেননা ট্রেইসম্যান নামক এক গবেষক অনেকের উপরেই এই পরীক্ষা করে দেখেছেন, শব্দের পর শব্দ শুনে মনে রাখার চেয়ে অর্থবোধক বাক্য মনে রাখা সহজ এবং আমাদের মনোযোগ ঐদিকেই থাকবে। আরেকটি বিষয় হলো পরিচিত শব্দভান্ডার বা গ্রামার রুলস। ছোট থেকে যে গ্রামার রুলস পড়েছেন সেই অনুযায়ী তথ্য পেলে আপনি খুব সহজেই মনোযোগ দিতে পারবেন ঐদিকে। যেমন- প্রথম উদাহরণে I saw a girl এর সাথে jumping/ wishing  শব্দ দুটো অন্যান্য শব্দগুলোর চেয়ে অর্থ এবং গ্রামার রুলস অনুযায়ী ভালো যায় ।

ক্যাপাসিটি থিওরি

এ থিওরি বলে, আপনাকে যদি একইসাথে দুটি টার্গেট দেয়া হয়, তাহলে আপনি প্রথম টার্গেটে মনোযোগের রিসোর্সের সিংহভাগ দিয়ে ফেলবেন, তাই দ্বিতীয় টার্গেটের প্রতি ততটা মনোযোগ দিতে পারবেন না। যেমন- আপনাকে বলা হলো হাফ সেকেন্ডের জন্য কম্পিউটার স্ক্রিনে দুটি শব্দ একসাথে আসবে এবং আপনাকে বলতে হবে ঐ দুটো শব্দ কী কী। আপনি একটা শব্দ দেখে অন্যটা দেখার আগেই দেখবেন টাইম আপ! এটা আসলেই চিন্তার বিষয়।

মনোযোগ শিফট করা কি সম্ভব?

মনোযোগ বা ফোকাস শিফট করা সম্ভব। তবে এই শিফটিংয়ের মাঝে একটা হাফ সেকেন্ডের কম সময়ের জন্য একটা গ্যাপ থাকে, যেটা আমরা খেয়াল করতে পারি না। এর কারণ আমাদের মনোযোগ দেবার মতো রিসোর্স সীমিত। আপনি যদি একই সাথে অনেক কিছুর দিকে মনোযোগ দিতে যান, তাহলে কোনোটার ক্ষেত্রেই পুরোপুরি মনোযোগী হতে পারবেন না। একটু খেয়াল করলে দেখবেন, এমন ক্ষেত্রে অনেক কিছুই আপনার পাশ দিয়ে হয়ে চলেছে আপনি একেবারেই খেয়াল করতে পারেন নি। ক্যাপাসিটি থিওরিতে এই বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে।

বাস্তবজীবনে মনোযোগ শিফটিংয়ের সময় এই গ্যাপ নগণ্য হলেও প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন ধরুন, আপনি গাড়ি চালাচ্ছেন। হঠাৎ আপনার সামনের একটা গাড়িকে লেন পরিবর্তন করতে দেখলেন। স্বাভাবিকভাবেই আপনার মনোযোগ প্রথমে ঐদিকে যাবে। কিন্তু আপনি তখনই মনোযোগ অন্যদিকে শিফট করলেন। এই শিফটিংয়ের মাঝের হাফ সেকেন্ড কিন্তু আপনি অন্য গাড়িগুলোর দিকে ফোকাস করতে পারেননি। আর দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এইটুকু সময়ের মধ্যেই। এটা আমাদের মনোযোগের সীমাবদ্ধতা। তাছাড়া অনেকক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখাটাও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। এটাও একটা সীমাবদ্ধতা, তবে এটি কিছুটা হলেও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

মনোযোগ ধরে রাখবেন কীভাবে?

একনাগাড়ে কাজে মনোযোগ ধরে রাখাটা আসলেই অনেক চ্যালেঞ্জিং। আশেপাশে এত শব্দ, এত বাধা যে কাজে মনোযোগ দেয়াটা কষ্টদায়কও বটে। তবে নিশ্চুপ, শান্ত পরিবেশেও মনোযোগ ধরে রাখা যায় তা-ও নয়, কেননা সর্বক্ষণের সঙ্গী ফেসবুক, ই-মেইল আর এসবের নোটিফিকেশন তো আছেই। তবে হতাশার কিছু নেই। ফোকাসিং এমনই এক বিষয় যেটি দেহের পেশিগুলোর মতো; যতই সেটাকে গড়ে তোলার জন্য চেষ্টা করবেন, সেটি ততটাই শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

মনোযোগ আপনি বাড়াতে পারবেন এটা ঠিক। তবে রাতারাতি বেড়ে যাবে, ব্যাপারটা তেমন নয়। কিছু টিপস মেনে চললে ধীরে ধীরে আপনার মনোযোগ দেবার ক্ষমতা বাড়বে।

১। জেনে নিন নিজের বর্তমান অবস্থা

আপনি আসলে কতটা মনোযোগী তার একটা ছোটখাটো পরীক্ষা করে নিন প্রথমে। নিচের বাক্যগুলোর মধ্যে কোনগুলো আপনার সাথে যায় সেগুলো চিহ্নিত করুন:

  1. খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ করতে গিয়েও আমি দিবাস্বপ্ন দেখা শুরু করি।
  2. আশেপাশের বাধাগুলো থেকে বের হয়ে মনোনিবেশে আমার খুব সমস্যা হয়।
  3. কাজ করতে করতে মাঝে মাঝে ভুলে যাই, আমি আসলে কী করছিলাম এবং আবার প্রথম থেকে শুরু করতে হয়।
  4. জটিল কাজগুলো আমি তখনই করি যখন মনে হয় আমি আসলেই ফোকাস করতে পারি।
  5. আমি প্রথমে লক্ষ্য নির্ধারণ করি এবং কাজগুলোকে আমি ছোট ছোট অংশে ভাগ করে নিই।
  6. যদি দেখি আমি মনোনিবেশ করতে পারছি না, তাহলে ছোট বিরতি নিই এবং তারপর আবার কাজে ফিরে আসি।

যদি প্রথম তিনটি বৈশিষ্ট্য আপনার সাথে যায়, তাহলে আপনাকে মনোযোগ বাড়ানোর জন্য খাটতে হবে। আর যদি নিচের তিনটি বৈশিষ্ট্য আপনার সাথে যায়, তাহলে আপনার মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা ভালই, কিন্তু সেটাকে আরও ভালো করতে হবে।

২। মেডিটেশন করুন

মেডিটেশন এমন এক প্রক্রিয়া যেটি দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রেখে মস্তিস্ককে সজাগ রাখে। অনেক গবেষণা হয়েছে এ নিয়ে। প্রতিটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা মেডিটেশন প্র্যাকটিস করেন তারা মেমোরি টেস্ট এবং মনোযোগী হতে হয় যে কাজগুলোতে সেগুলোতে ভালো করেন।

মেডিটেশন মনোযোগ বাড়ায়; Source: Lucia Rene

৩। ব্যায়াম করুন নিয়মিত

ব্যায়াম করলে শুধু দৈহিক কাঠামো ঠিক থাকে তা নয়, ফোকাসিং অ্যাবিলিটিও বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে যাদের অ্যাটেনশন ডেফিসিয়েন্সি রোগ রয়েছে, তারাও যদি ২০ মিনিট ধরে ব্যায়াম করে, তাহলে তাদের মনোযোগ দেবার ক্ষমতা অনেকাংশে উন্নতি লাভ করে।

প্রতিদিন কিছুটা সময় ব্যায়াম মনোযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে;Source: orthopedicsurgerysandiego.com

৪। প্রশ্ন করুন

প্রশ্ন করে শুধু জানা যায় তা-ই নয়, প্রশ্ন করার মাধ্যমে কোনো বিষয়ে যুক্ত থাকা যায়, ফোকাস করা যায়।

৫। গান শুনুন

ক্ল্যাসিক্যাল মিউজিক মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। মৃদু বাজনার গান আমাদের মস্তিষ্কে এমন এক আলোড়ন সৃষ্টি করে যা মনোযোগ দিতে, সিদ্ধান্ত নিতে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।

৬। চা পান করুন

কফি আপনাকে সজাগ রাখতে পারে, কিন্তু চা আপনার মনোযোগ বাড়াতে পারে। ব্ল্যাক টি’র ভেতর এল-থায়ানিন নামক এক অ্যামাইনো এসিড থাকে যেটি সরাসরি আপনার মস্তিষ্কে মনোযোগ নিয়ন্ত্রণ অংশে কাজ করে এবং মনোযোগ বৃদ্ধি করে।

এক কাপ ব্ল্যাক টি আপনাকে সতেজ করার পাশাপাশি মনোযোগও বাড়াবে; Source: look.tm

৭। চুইংগাম চিবান

কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় পাওয়া গেছে, চুইংগাম চিবানো মনোযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখে। কেননা চুইং বা চিবানোর ফলে মস্তিষ্ক দেহকে পুষ্টি উপাদান প্রেরিত হচ্ছে এমন সিগন্যাল পাঠায় এবং এতে থাকা গাম ক্ষুধার কষ্ট হ্রাস করে। ফলে মস্তিষ্ক মনোযোগ দেবার জন্য সজাগ থাকে।

৮। পরিমিত ঘুমান

শিডিউল মেনে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস আপনার শরীর এবং মনকে সতেজ রাখার পাশাপাশি মনোযোগী হবার শক্তি দেবে।

পরিমিত এবং সময়মত ঘুমাতে হবে;Source: clipart panda

৯। খাবার খান

কথায় আছে পেটে খেলে পিঠে সয়। ক্ষুধা পেটে আপনি কখনোই মনোনিবেশ করতে পারবেন না। তাই যে কাজে মনোযোগ দরকার তা আগে অবশ্যই খেয়ে নেবেন। তবে হ্যাঁ, অবশ্যই সুখাদ্য খেতে হবে।

১০। গেম খেলুন

DUAL N-BACK গেমটি মনোযোগ বাড়াতে কার্যকর; Source: cognosia

মনোযোগ বাড়াতে কিছু গেম খেলতে পারেন। প্লে-স্টোরে অনেক ধরনের গেম রয়েছে মনোযোগ বাড়ানোর। মোবাইলে LUMINOSITY, ELEVATE, MINDNOTE, DUEL N-BACK  ইত্যাদি গেম আপনার মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করবে। পি.সি-তে DUEL N-BACK খেলতে পারেন। আইপ্যাডে IQ BOOST UP  সফটয়্যারটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। প্রতিদিন কিছুটা সময় এই গেম খেলার পেছনে দিলে ভালো ফল পাবেন আশা করা যায়।

তাহলে আর দেরি কেন? এখনই সময় মনোযোগী হয়ে ওঠার। তবে একসাথে অনেক কাজে মনোযোগ না দিয়ে সিলেক্টিভ হোন। না হলে কোনটাই হবে না।

About admin

Check Also

আপনার রক্তের গ্রুপ অনাগত সন্তানের মৃত্যুশঙ্কার কারণ নয় তো?

মানুষের জন্মের এমন একটি পরিস্থিতি নিয়ে আজকের লেখায় আলোচনা করা হবে, যেটি জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *